শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৮

মানিব্যাগ।

আব্বার একটা মানিব্যাগ ছিলো দুধ চায়ের কালারের।আব্বা তখনো রিটায়ার করে নাই।মানিব্যাগটা ফুলে থাকতো। আমি নিয়মিত টাকা সরাতাম, আব্বা অবশ্যই বুঝতো।কিছুই বলতো না।আর আমাদের মগু সুমন তো ঠিক বেতনের দিন ওর আব্বার অফিসে গিয়ে বাপের দিকে ল্যাপা বিলাইয়ের মতো তাকিয়ে থাকতো।
ওর বাপের মেজাজ বিগড়ে যেতো ওকে দেখে,দেখেই চিৎকার দিতো, "মাইজ্যা মঁ,কিল্লাই আইচ্ছোস(ওর বাবা ওকে কেন যেনো মাইজ্যা মঁ বা মেজো মামা ডাকতো,মেজো ছেলে ছিলো কিনা হয়তো তাই)।
তো একসময় আব্বা রিটায়ার করে ফেললো। আমার একটুও বিশ্বাস হলো না।টিভিতে বা সিনেমায় দেখতাম, বাবারা যখন রিটায়ার করতো তাদের চুল-দাড়ি সাদা থাকতো।আর আব্বা আক্ষরিক অর্থেই একেবারে ক্লিন শেভড কালো চুলে রিটায়ার করলেন।মনটা আব্বার থেকেও বেশী খারাপ হলো।এতোদিনের জন্মস্থান ছাড়তে হবে।তারপর আব্বার সেই দুধ চা রঙ এর মানিব্যাগের স্বাস্থ্য অনেক কমে গেলো। আমি আর টাকা সরাতাম না।ভীষণ মায়া লাগতো আব্বাকে দেখলে।আমি ভালো হয়ে গেলাম।
ভীষনরকম ভালো।আর আব্বার মানিব্যাগে হাত দিইনি।এরপর ভাইয়ার মানিব্যাগের দিকে মানুষখেকো বাঘের মতো নজর গেলো। ভালো হওয়া কতো কস্ট আপনারা জানেন না।

শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

পাপোষ নাযিল!

ইউটিউবে কতোকিছুই না শেখা যায়!আমার স্ত্রী কয়দিন আগে এসে আমাকে বলে,আপনি যেসব গেঞ্জি আর পড়বেন না সেগুলো আমাকে দিয়ে দেন।আমি দ্রুত তাকে বেশকিছু গেঞ্জি দিয়ে দিই।উল্লেখ্য অপ্রয়োজনীয় জিনিস দ্রুত দিতে আমি কখনো দেরী আর আলসে অনুভব করি না।তারপর বেশকিছুদিনের নিরবতা।দেখি কি, সে কাঁচি দিয়ে গেঞ্জিগুলো ফালা ফালা করে কাটে।আর সেগুলো দিয়ে এক্সাক্টলি চুলের বেনীর মতো পাকিয়ে কতোগুলো বেনীই বানিয়ে রাখছে।তারপরে একদিন দেখলাম,সেই বেনীগুলো জিলাপীর মতো পাকিয়ে বেশ ঘন বুনোট করে সেগুলোকে চতুর্দিক থেকে সমানুকেন্দ্রিক আঘাত হানার মতো সেলাই করে ফেলেছে।জিনিসটা হয়েছে একটি বৃত্তাকার পাপোষ।খুবই নরম, শোষনীয় আর মাল্টি কালার।
ঘটনার এই অবস্থায় সে আমাকে ডেকে বললো, একটু এদিকে আসেন।দেখেন তো এইটা।আমি কনে দেখার মুগ্ধতায় একবার এটার দিকে তাকাই,আরেকবার স্ত্রীর দিকে।মানে আমি এই অবিশ্বাস্য সৃষ্টিকে যেনো বিশ্বাস করতে পারছি না।বারবার বলছি, তুমি তুমি এটা বানাইছো! কি আইশ্চর্য!(এখন সে রাগে ফুসতেছে)
এবার আম্মাকে ডাকছি, আম্মা আম্মা !আমার আম্মা বলে,কি হইছে, এভাবে কেনো ডাকতেছস?আমি বললাম,দেখো আম্মা কি এইটা?
আমার আম্মা বলে ,তুমি এটা বানাইছো?
আমি বললাম, আম্মা তুমি এসব কি বলতেছো?বানাইছে মানে কি ?এটা তো নাযিল হইছে।
পাপোষ নাযিল হইছে। (আপাতত কথাবার্তা বন্ধ আছে)

বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭

সম্রাজ্ঞী নুরজাহান বনাম সুবাদার মহব্বত খান।

সম্রাট জাহাংগীর কার্যত সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের হাতের মুঠোয় পরিচালিত হতেন।নিজে সম্রাজ্ঞী, ভাই আসফ খান প্রধানমন্ত্রী ,তার অন্যান্য ভাইয়েরাও সাম্রাজের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন পদে।তাই এই ইরানী পরিবারটি সাফল্য, ক্ষমতার দম্ভ সবকিছুর চূড়ায় অবস্থান করছিলেন।যুবরাজ খুররম ওরফে ভবিষ্যতের সম্রাট শাহজাহানের এই নিয়ে কস্টের কোন সীমা ছিলো না।
ক্ষমতায় সুবিধা হবে ভেবে সম্রাজ্ঞীর ভাইঝি মমতাজকে বিয়ে করেন।শ্বশুর প্রধানমন্ত্রী আসফ খাঁ।তাও কোন ভাও হলো না।সুন্দরী সৎ মা তার প্রবল ক্ষমতাবলে আর রুপের ছটায় সম্রাট বাবাকে "মা মরলে বাপ হয় তালুই" বানিয়ে ফেললেন।তালুই রুপী বাপ পুত্রের থেকে বৌ আর শালাদের বেশী মুল্য দিতেন।দূঃখে শাহজাহানের ব্লু হোয়েল গেম খেলতে মন চাইতো।এর মধ্যে সবচেয়ে বিপদজনক হলো, সম্রাজ্ঞীর অত্যান্ত আস্থাভাজন সেনাপতি সুবাদার মহব্বত খান।ওর মতো লোক যেকোন স্বাধীনচেতা যুবকের মনের ইচ্ছার মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।যুবক খুররম শুধু তাকেই ভয় পায়, না হলে এমনিতে তো সে নিজেই বীরযোদ্ধা।
কিন্তু না, শাহজাহান বিদ্রোহ করলেন।তার বাবা আকবরের প্রিয় শেখু বাবা যুবরাজ সেলিম ওরফে সম্রাট জাহাংগীর নিজেও বিদ্রোহ করেছিলেন।বাবার প্রিয় বন্ধু আবুল ফজলকে হত্যা করেন।আবার জাহাংগীরের বড় পুত্র খসরুও তো বাবার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।তাহলে সে নিজে কেনো মেনে নেবে।তবে অন্যরা যেটা কখনো করে নাই,শাহজাহান সেটা করেছেন।এই পর্যন্ত কোন যুবরাজ আগ্রা কেল্লার ভেতর কামান ছুড়ে নাই।জাহাংগীর এলাহাবাদে বিদ্রোহ করেন আর খসরু ফতেপুর সিক্রির পশ্চিমে রাজস্থানে আর লাহোরে বিদ্রোহ করেন।তাদের বিদ্রোহের আঁচ আগ্রা টের পায় নি। কিন্তু শাহজাহান আগ্রার কাছে বিলোচপুর সেনানিবাস দখলে আনার পর সেখান থেকে আগ্রা ফোর্টের দিকে কামান ছুড়েন।কিন্তু মহব্বত খানের নৈপুন্যতায় পরাজিত হন।সে জানে ধরা পড়লে মৃত্যু নিশ্চিত।তাই পালালেন।পিছনে ফেউ এর মতো লেগে রইলো সুবাদার মহব্বত খান।সেই আমলে শাহজাহান যেই লং মার্চ করেছেন মহব্বত খানের হাত থেকে বাচার জন্য তা এই আমলেও বিরল।বিশ্বস্ত সেনাপতি, সৈন্য, হাতি-ঘোড়া সব হারিয়েছেন এই দীর্ঘ যাত্রাপথে।
কিন্তু ভাগ্যের ফেরে এই মহব্বত খানকে সম্রাজ্ঞী নুরজাহান সন্দেহ করা শুরু করেন।তার বদলে রাজপুত সেনাপতিদের হাতে অধিক করে ক্ষমতা দেয়া শুরু করেন।মহব্বত খান সুযোগটা নেন,যখন সম্রাট কাশ্মীরের রাজৌরিতে অবকাশে যান।নদীর উপর নৌকার সেতু পেরিয়ে মহব্বত খান সরাসরি সম্রাটের ডুরাসানা তাবুতে ঢুকে পড়েন।সম্রাট গোসলে ব্যস্ত ছিলেন।সম্রাটের জীবনীকার মুতামিদ খাঁ এর বর্ননা দিয়েছিলেন।সে আর করতলব খাঁ এসময় সম্রাটের সাথে ছিলেন।তারা এভাবে মহব্বত খানের মতো সেনাপতিকে খাস তাবুতে প্রবেশ করতে দেখে বিস্মিত হন।মুতামিদ খাঁ কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই মহব্বত খাঁ তাকে চুপ থাকতে বলেন।সাধারনত সম্রাট আদেশ না দিলে কোন সেনাপতির সম্রাটের কাছে এসে দাড়াবার অনুমতি নাই।আর সে সাক্ষাৎ অবশ্যই হয় দরবারে খাস এ।অবকাশকালীন তাবুতে নয়।আর এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিও নয়।সম্রাট জাহাংগীর গোসলখানা থেকে বেরিয়ে মহব্বত খাঁ কে দেখে একটুও অপ্রস্তুত ভাব দেখাননি।উনি জিজ্ঞাসুনেত্রে তার দিকে তাকিয়ে থাকলেন।কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুবই ক্ষুদ্ধ হলেন।তিনি এ পাশ ও পাশ তার খাস বডিগার্ডদের খুজলেন।এরা কেউ নাই।নতুন সব প্রহরী।এবার তিনি নুরজাহানের উপর ক্ষুদ্ধ হলেন।
মহব্বত খান যথাপোযুক্ত সন্মান জানিয়ে জানালেন,মহামান্য সম্রাট আপনার উপর আমার বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই।সম্রাজ্ঞী নিজের ইচ্ছামতো যা ইচ্ছা তা করছে।আপনাকে আমি সর্বোচ্চ সন্মান দেবো।আপনি দয়া করে আমার সাথে চলুন।আর দয়া করে চেহারায় কোন অস্থিরতা আনবেন না।বাইরে সবাই আমাদের খেয়াল করছে।আমি নিজের জীবন দিয়ে আপনাকে রক্ষা করবো।আপনি কোন দূঃচিন্তা করবেন না।আপনি কেবল কিছু নির্দেশনা দেবেন।এখন দয়া করে আপনি এই ঘোড়াটিতে উঠুন।এতোক্ষনে সম্রাট কথা বললেন।তিনি বললেন, মহব্বত খাঁ কি এটাও জানে না যে সম্রাট নিজের হাতি ব্যতীত অন্যজনের কোন বাহন ব্যবহার করেন না।মহব্বত খান লজ্জিত হলেন।সম্রাটের হাতি আনা হলো।সম্রাট জাহাংগীর সুবাদার মহব্বত খানের হাতে বন্দী হলেন।
কিন্তু খেলাটা কুলিয়ে উঠতে পারলেন না।ইরানী রমনী নুরজাহানের বুদ্ধির কাছে মহব্বত খান হেরে গেলেন।খুবই সুকৌশলে নুরজাহান তার ব্যক্তিগত গার্ডদের এনে সংখ্যায় ভারি হয়ে গেলেন। মহব্বত খান শুধু নিজের জানটা নিয়ে পালাতে পারলেন।
অনেক পথ ঘুরে শাহজাহানের মতো শরীরের বাড়তি মেদ ঝড়িয়ে একদিন শাহজাহানের কাছে এলেন।জানালেন ,যুবরাজ কি তাকে ক্ষমা করবেন? বাকি জীবন সে শাহজাহানের জন্য ব্যয় করবে।আর শাহজাহান তখন মরতে মরতে বেচে যান।এই যুগলের মিলিত আক্রমন নুরজাহানের শাসনের ভিত নেড়ে দেয়। ১৬২৮ সালে সম্রাট জাহাংগীর মারা যান। মহব্বত খান আর এবার শ্বশুর আসফ খান মেয়ে জামাইয়ের পক্ষ নিয়ে বিধবা বোনকে গৃহবন্দী করলেন।
সম্রাজ্ঞী নুরজাহান এর ১৮ বছরের শাসনের অবসান হলো।

শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

সাফাবি শাহ ইসমাইল বনাম শায়বানী খান ইন মার্ভ।

ডিসেম্বর,১৫১০ খ্রীঃ।
শায়বানী পুর্ন আত্নতৃপ্তির সাথে মার্ভ দুর্গে ৩০ হাজার সুসজ্জিত সৈন্য নিয়ে জাঁক করে বসে দুর্গের বাইরে অবস্থানরত পারস্যের সাফাভি সম্রাট শাহ ইসমাইলের ১২ হাজার সৈন্যদের লক্ষ্য করছে।জায়গাটা এখনের তূর্কমেনিস্তানের মারীর নিকট আমু দরিয়ার পাড়ে।শাহের সৈন্যরা শীতে কস্ট পাচ্ছে,এটা শায়বানী খানের ভীষন ভালো লাগছে।তিনি চাচ্ছেন আরো কস্ট পাক,দূর্বল হোক তারা।এরপর দুর্গ থেকে বের হয়ে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
শাহ ইসমাইল যেনো ধৈর্য্যের প্রতিমুর্তি,শায়বানী যে শিয়ালের গর্ত থেকে বের হবে না সেটা তিনি বুঝে গেছেন।তাই রাতে তার বিশ্বস্ত সেনানায়কদের ডেকে বুঝিয়ে দিলেন,কিভাবে ভাও করতে হবে ঘটনাটার।সেনাপতিরা শাহকে পীরের মতো ভক্তি করে।তারা আর একবার শ্রদ্ধায় আপ্লুত হলেন।শাহ ইসমাইলের হাত চুম্বন করে আশীর্বাদ নিলেন।তারা বিদায় নিলেন,কারন গভীর রাত থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু হবে।মহান আল্লাহ যদি দয়া করেন কাল এমন সময় ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হবে।
শায়বানী খান বিগত বছরগুলোতে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন,এতে তার আত্নবিশ্বাস চরমে পৌছে যায়।এটাই তাকে শেষ করলো।সে তৈমুরের বংশকে ,তৈমুরের বারলাশ গোত্রকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার জন্য শপথ নিয়েছে।অনেকাংশে সে সফল।এখন শুধু বাবর বেঁচে আছে।যে এই মুহুর্তে হীরাত বা কুন্দুজের কাছে আছে সম্ভবত।বাবরের বংশের কাউকে শায়বানী বিন্দুমাত্র করুনা দেখায়নি।বাবরের মামা তাশখন্দের শাসককে নিশংসভাবে হত্যা করেছে।বাবরের সৎ ভাইকেও হত্যা করে আন্দিজান,ফরগানা ও বাবরের জন্মস্থান আঁকশি দুর্গকে ধবংশস্তুপে পরিনত করেছে।হীরাতের শাসক বাবরের আত্নীয় হুসেন বাইকারার ছেলেরা বাবরকে দুর্দিনে কেনো আশ্রয় দিলো,এ অপরাধে হীরাত ভস্মীভুত করা হয়েছে।তার পরই সেখান থেকে গিয়ে পারস্যের শাহকে খেপানোর জন্য ফিরতি পথে তার আস্ত্রাবাদ,গুরমেন ও কেহেরমান শহরকে লুট করে অধিবাসীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে।শাহ কিছুই করতে পারেননি,কারন তিনি তখন পশ্চিমে অটোমান সুলতান ২য় বায়েজিদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন।
শায়বানী এরপর যেটা করলেন এটাকে কি বলা যায়,তার একজন দূতের হাতে ভিক্ষার একটা ঝুলি পাঠালেন শাহকে।অর্থাত কিনা পারস্যের শাহ ভিখারি।শাহ সেই দূতের হাতে দিলেন একটা সুতা কাটা চরকা দিলেন।আর সেনাপতিকে একিই রাতে ডেকে বললেন,তারা এই মুহুর্তে কতোজন প্রস্তুত আছেন? সেনাপতি জানালো-সমগ্র বাহিনী শাহের নির্দেশের অপেক্ষায়।শাহ জানালেন-পাগলা কুত্তার ট্রিটমেন্ট একটাই, এটাকে পিটিয়ে মারতে হয়।
কিন্তু শায়বানী দুর্গ ছেড়ে বের হয় না,তার পুত্রেরা আমু দরিয়া পেরিয়ে বাকী সৈন্য নিয়ে আসলেই তিনি শাহের সৈন্যদের ছাল ছাড়াবেন।কিন্তু আজ সকাল হতেই দেখা যায়,শাহের একদল অশ্বারোহী ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দুর্গের সামনে দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে আর অন্যেরা তাড়াহুড়া করে মালপত্র গুচাচ্ছে।তার মানে তারা পিছু হটছে।ভালো করে শায়বানী লক্ষ্য করে দেখলো আগের ১২ হাজার অশ্বারোহীকেও তো দৃস্টিসীমায় দেখা যাচ্ছে না।সে তাড়াতাড়ি তার সেনাপতি মোল্লা আব্দুর রহিমকে ডেকে বললো-এই পলায়নপর সৈন্যগুলোকে আমাদের পেড়ে ফেলতে হবে দ্রুত,এবং তা এখনই।এরা পালিয়ে গেলে আর ধরতে পারবো না।মোল্লা বললেন,সুলতান আপনি দূর্গ ছেড়ে বের হবেন না।আপনার পুত্রেরা আসুক,তারপর বের হবেন।শায়বানী বলে-তারা আসতে আসতে এরা থাকবে না।সে তার দলবল নিয়ে পলায়নপর শাহের বাহিনীর পিছু নিয়ে আমু দরিয়ার কাঠের সেতু পার হয়ে যেই না বিস্তীর্ন মরুভূমিতে পৌছালেন অমনি মরুর বালিয়ারীর আড়ালে লুকিয়ে থাকা ১৭ হাজার দক্ষ পারস্যের সেরা অশ্বারোহী শায়বানীকে ঘিরে বেস্টনি টানা শুরু করলেন।শায়বানী এবার বিজয়ের জন্য না,বাঁচার জন্য আল্লাহকে ডাকলেন।কোন মতেই বেস্টনি ভাঙ্গতে না পেরে একটা পরিত্যক্ত শীতকালীন খামারবাড়িতে সেঁদোলেন।
শায়বানীর দেহরক্ষীরা মরিয়া হয়ে লড়ছেন,তারা তো জানেই তাদের প্রত্যেকের কি দশা করবে শাহ।শায়বানী চিৎকার করে তার দেহরক্ষীদের ভীত না হয়ে শৃংখলাবদ্ধ হয়ে আক্রমন প্রতিহত করতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন।শাহ এটা খেয়াল করে তার পাথর নিক্ষেপকারী যন্ত্রচালককে বললেন,শায়বানির দেহরক্ষীদের দিকে সরাসরি পাথর নিক্ষেপ করতে ।তেমনি এক পাথর এসে শায়বানীর ঘোড়ার মাথায় আঘাত হানতেই সেই ঘোড়া মাটিতে আশ্রয় নেয়।ঘোড়ার রেকাবে পা আটকে থাকাতে শায়বানী নিজেও ঘোড়ার নিচে চাঁপা পড়ে,তখনই আরেকটি বিশাল আকৃতির ঘোড়া শায়বানীর পাঁজরের উপর আছড়ে পরাতে পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে শায়বানী জ্ঞান হারায়।তার দেহ খুজে বের করে তার মাথা কেটে শাহের ঘোড়ার পায়ের কাছে নিক্ষেপ করা হয়।তার সারা শরীর টুকরো টুকরো করে পারস্যের বিভিন্ন শহর আর সেইসব বাজারে ঝুলিয়ে রাখা হয়,যা সে গত বছর লুট করেছিলো।আর শায়বানীর মাথার খুলিকে সেদ্ধ করে এর ভিতরের মাংস অপসারন করে পুরো মাথা গলিত সোনায় গিলটি করে তাকে মদের পানপাত্রে রুপান্তরিত করে বাবরকে উপহার হিসেবে পাঠানো হয়।আর চিঠিতে এ কথাটি উল্লেখ করতে শাহ ভুলেননি যে,উপযুক্ত সময়ের অভাবে এই সোনার গিলটি করা কাজটি আরো নিঁখুতভাবে সম্পন্ন করা যায়নি।

প্রনব মুখার্জি ও ঘোড়া মইন উপাখ্যান।

ফেসবুকের আজকের ট্রেন্ডিং হলো, প্রনববাবু ,মইন ইউ আহম্মেদ আর ২০০৮ এর নির্বাচন।প্রনব বাবু তার জীবনীতে জানাচ্ছেন,কিভাবে তিনি ২০০৭ এ মইন ইউ এর ভারত সফরে তাকে পরের বছরের নির্বাচন হওয়ার পরও পদে বহাল রাখা হবে, তার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন।
এরপর ২০০৮-২০১৭ পর্যন্ত কি কি হয়েছিলো,সেগুলোর বর্ননা দেওয়ার প্রয়োজন নাই।আপনাদের আজ ক্ষুদ্র একটা ঘটনা মনে করিয়ে দেবো।ইতিহাসে এইসব সিগিনিফিকেন্ট ঘটনাগুলোর বিবরণ আগেও ঘটেছিলো।
আপনাদের হয়তো মনে নেই ,মইন ইউ আহম্মেদ ভারত থেকে ঘুরে আসার পর সাথে করে ৬টি মদ্দা তাগড়া স্টালিয়ন ঘোড়া উপহার স্বরুপ নিয়ে দেশে ফেরে।সেনাবাহিনীর লাইভ স্টক বিভাগের লোকেদের অবশ্যই এ ঘটনা মনে আছে।এখন বলি, এই কোন দেশকে, কোন বাহিনীকে,কোন শাসককে মদ্দা তাগড়া ঘোড়া উপহার দেয়ার রীতি প্রাচীনযুগ ,মধ্যযুগ ও বর্তমান যুগ কোন যুগেই শুভ লক্ষন হিসেবে ধরা হয় না।এর সাংকেতিক মানে ধরা হয় ,তোমরা মাদি ঘোড়া তাই তোমাদের মদ্দা ঘোড়া দেয়া হলো।এখন বসে বসে বাচ্চা বিয়োও।অর্থাত মইন পুরো নিয়ন্ত্রনে।
যাক,আমরা মুর্খ মানুষ।এবার ইতিহাসের মোটামুটি এমন একটা ঘটনা বলি, যার শেষটা আবার মইন ইউ পর্বের মতো ঘটেনি।মোঘল সম্রাট বাবুর ভারতে এসে সাম্রাজ্য স্থাপন করলেও নিজ দেশ উজবেকিস্তানের ফরঘানায় মোটেও তিস্টোতে পারেনি উজবেক উপজাতি নেতা শায়বানী খানের জন্য।শায়বানি খান কেবল তাকে ট্রান্স অক্সিয়ানা থেকেই দূর করেনি,বাবুরের বোনকে উপপত্নী বানিয়ে ফেলেন।বাবুর এই প্রবল প্রতিদ্বন্দীর হাত থেকে বাচার জন্য কাবুল ,হিরাত, কুন্দুজ ,গজনীতে আওয়ারার মতো ঘুরতে থাকেন।আর শায়বানী তার পিছু নিয়ে যারাই তাকে আশ্রয় দিতো তাদেরও হত্যা করতে থাকেন।এসব করতে করতেই শায়বানী একিই সাথে পারস্যের সাফাভিদ বংশের প্রথম শাসক শাহ ইসমাইলের শাসনাধীন বিভিন্ন শহরেও লুটতরাজ ,সেয়ানা ট্যাক্স আদায় করতে থাকেন।শায়বানীর কি গতি শাহ ইসমাইল করেছিলো তা পরবর্তী স্টাটাসে দেয়া হবে।
শাহ শায়বানীকে ধরে সাইজ করে তার মাথার খুলিটা থেকে মাংস খুলে নিয়ে পুরো খুলি গলিত সোনায় কোটিং করে বাবুরকে উপহার দেয়।সাথে বাবুরের বোন ও ভাগ্নেকে।আর একটা কাজ শাহ করে, তিনি ছিলেন শিয়াদের ১২ ইমামে বিশ্বাসী।তাই শিয়াদের কিজিলবাসী লাল লম্বা টুপি আর লম্বা আলখেল্লা তিনি যেটা পড়তেন তার একসেট বাবুরকে পাঠান।যাতে কৃতজ্ঞতাবশত বাবুর সুন্নী থেকে শাহের শিয়াতে চলে আসেন।আর ১২ টি মদ্দা তুর্কমেনী চমৎকার ঘোড়া দেন।সিগনাল ক্লিয়ার,বাবুর তার করদ হিসেবে শায়বানী অধিকৃত রাজ্য শাসন করবেন।
মধ্যযুগে রাজা রাজায় এভাবেই সিগনালে সিগনালে পরষ্পরকে সংকেত দিতো।যেমনঃ শায়বানী ধরা খাওয়ার আগে শাহকে একটা ভিক্ষার পাত্র পাঠিয়েছিলেন, অর্থাৎ শাহ ভিক্ষা করবে।আর শাহ পালটা তাকে একটা সুতা কাটার চরকা দেন।মানে বসে বসে সুতা কাটো, আমি আয়তাছি।
বাবুর শাহকে যথাপোযুক্ত সন্মান দেখান আর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন।শাহকে জানান,ভবিষ্যতে যেকোন সময় শাহর উপকারে আসতে বাবুর কোনরকম দ্বিধা করবে না।কিন্তু উনি সুন্নী মুসলমান হিসেবেই মরতে চান।আর তার রাজ্যে শিয়ারা সবসময় অত্যান্ত সন্মানিত আর মর্যাদাবান পদে থাকবেন।এরপরই বাবুরের নির্দেশে ১২ টি মদ্দা ঘোড়াকে আত্তাঘোড়া বা খাসি করা হয়।শাহকে জানানো হয় বাবুরের প্রচুর উন্নত জাতের মদ্দা ঘোড়া আছে।তারপরই খোজা ঘোড়াগুলো আর কিজিলবাসী লাল টুপি আর আলখেল্লাকে প্রচুর উপঢৌকন সহ পারস্যের রাজধানী কাজবিনে ফেরত পাঠানো হয়।
বাবুরটা পারছিলো, মইনটা পারে নাই।

মোল্লা মাসুদের সাথে কথোপকথন।

আজকে ১২-৩০মিঃ নাগাদ আমাকে একটা রবি নাম্বার থেকে কল করে যেরকম লেপা মার্কা সালাম দিয়েছে ,আমি ভেবেছিলাম রবিওলারা আবার কোন ফাউলটাইপ কোন মোবাইল সেবা দিতে উদগ্রীব।কিন্তু সে আমাকে জানায়,আমি তৌফিক কিনা?(সে অভ্রান্তভাবে আমার বাসার ঠিকানা বলে),
আমি হ্যা জানাতেই সে জানায়, আমি মোল্লা মাসুদ বলছি আন্ডারওয়াল্ডের থেকে(এই একটা বাক্যেই আমি বুঝে গেছি উনারা কারা)।আমি সাথে সাথে তাকে জানাই,আপনি কি মোল্লা সল্ট এর মালিক কিনা?(সে কিঞ্চিত ক্ষুদ্ধ হয়)। আমাকে জানায়,আমি কি ইয়ার্কি করছি নাকি?(ভাবুন দেশটা কোথায় গেছে,ইয়ার্কি নাকি আমি করছি)।
এবার ডন মোল্লা মাসুদ জানায়, তাদের আন্ডারওয়াল্ডের গোলটেবিল বৈঠকে স্থির হয়েছে, তাদের বন্দী সহযোদ্ধাদের জেল থেকে মুক্ত করতে ৫০ লক্ষ টাকা দরকার,তাই আমার সহযোগিতা দরকার।আমি জানতে চাইলাম,আমাকে কেনো উনার প্রয়োজন হলো।তাতে উনি আমাদের চট্টগ্রামের এমনসব গার্মেন্টস মালিক ও শিল্পপতির নাম জানালো,যারা নাকি সবাই ইতিমধ্যে ৫-১০ লাখ দিয়ে দিয়েছে।আমি ৫ লক্ষ দিলেই তারা খুশী। এমন অবস্থায় আমাকে তারা এতো উচু মর্যাদা দিয়েছে,এটা ভেবেই আমার চোখে দিয়ে আনন্দে ও গর্বে পানি বের হয়ে গেছে।সাথে সাথে মুত্রত্যাগ করার এক দূর্নিবার ইচ্ছাও হলো।আমি তাকে সেটা জানালাম( সে ইষত ক্ষুদ্ধ হলো)। আমাকে জানালো,আমার ছেলে আছে একটা,সেটা তারা জানে। তারা আমার বাসায়ই লোক পাঠাতো(তাদের নাকি সারা চট্টগ্রামে হাজার খানেক কর্মী আছে),কিন্তু আমি শিক্ষিত লোক এজন্য তারা সেটা করে নাই। আমি শিক্ষিত এটা শোনার পর আবার আমার বেদম কান্না পেলো।তা হলো সুখের ও গর্বের কান্না। সাথে যথারীতি আবার মুত্রত্যাগ।
আমি তাকে জানালাম, তাহলে চট্টগ্রামে ব্যাপারটা পৌছাতে ৮-১০ বছর লাগলো। সে বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলো,কিসের ৮-১০ বছর? আমি জানালাম, ৮-১০ বছর আগে ঢাকাতে কালা জাহাঙ্গীরের নাম দিয়ে এগুলা হতো। সেটা চট্টগ্রাম পৌছাতে এতোদিন লাগলো।আচ্ছা,আপনাকে টাকা বিকাশে দিবো না ফ্লেক্সি করে দিবো?এরপরই সে খট করে মোবাইল বন্ধ করে দিলো।
আমি বুঝলাম, টাকা না পেয়ে আমার সর্বনাশ না করলেও,টিটকারীগুলোর জন্য মনে হয় আমার ক্ষমা নাই।

নাম নিয়ে আবার !

এটি একটি ১৮+ পোস্টঃ-আগেই ডিস্ক্লেইমার, পরবর্তীতে কতৃপক্ষ কোনমতেই দায় নেবে না।
গতমাসে উত্তরবঙ্গে একটা ট্যুর দিয়েছিলাম।খুবই উপভোগ্য হয়েছিলো।যদি আবার কখনো সুযোগ হয়,আবারো যাবো। আপাতত অন্যদিকে না গিয়ে বাংলাদেশের গ্রাম বা স্থান গুলোর নাম নিয়ে কিছু বলি। নিশ্চয় এসব নাম কোন যুক্তিসঙ্গত কারনে এসেছে।ঠাকুর গাঁ রানী শঙ্কাইল হয়ে নেকমরদ (শুরু হয়ে গেছে) পর্যন্ত এদিকটা ১ম গেছি।নেকমরদ কথাটা জানি না কিভাবে এসেছে।চট্ট্রগ্রামে অবৈধ প্রেমিককে নেক বলে সম্মোধন করা হয়,সাথে তো মরদ রইলোই। এই নেকমরদের বা রানী শঙ্কাইলের কথা সেই স্কুল লাইফেই পাঠ্য বইয়ে পড়েছিলাম। লেখক আবুল খায়ের মোসলেহ উদ্দীন তার নীল গাইয়ের সন্ধানে নামক গল্পে এর ডাকবাংলোর বর্ণনা দেন। সুন্দর একটি জায়গা।তাও আবার লিচু-আম এর সিজনে গেছি।একিই সাথে সেখানে ধান ও ভুট্টা সংগ্রহ চলছিলো।
উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিন বা মধ্যাঞ্চলের ভাটি এলাকার গ্রামের নামের কিছু পার্থক্য দেখলাম।যেমনঃ নদীমাতৃক এলাকার গ্রামগুলোর অনেকগুলো নাম এসেছে ,যেহেতু এলাকাগুলো এমনিতেই মাছের প্রাচুর্যতায় ভরপুর ,তাই আমাদের এই ঢাকা ,কুমিল্লা,সুনামগঞ্জ ,ব্রাহ্মনবাড়িয়ার প্রচুর গ্রামের নাম মাছ কেন্দ্রিক। যেমনঃ- চিংড়ি থেকে এসেছে ইছাখালি বা পুর,কৈজুরি, বড় পাঙ্গাসি কিংবা আড় পাঙ্গাসিয়া,পুটিমারি,শিঙ্গিমারি, বোয়ালিয়া বা ইলশামারি ইত্যাদি ।আরো অনেক বলা যাবে।
কিন্তু উত্তরে যেমনঃ পঞ্চগড়ের ওপারে কুচবিহারের ছ্যাকামারি দিয়ে স্টার্ট দিই। এই যে মারামারি শুরু হয়েছে,তা বর্ডার ক্রস করে লালমনিরহাটের বুড়িমারি দিয়ে ঢুকে তিস্তার অববাহিকায় ম্যাসাকার করে দিয়েছে।আছে হাতিবান্ধার গোদ্দিমারি,শিঙ্গিমারি,আরেকটু পশ্চিমে গোটামারি( পুরাই),দক্ষিনে ভোটমারি(হয়তো কবে কেউ ৫ জানুয়ারীর মতো ভোটের পুটকন মেরে দিয়েছিলো) ও আদিতমারি। আছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারি,রৌমারি আর চিলমারি।হায় রে মারামারি!এরপর শুধু নীলফামারির উপর দিয়ে গেছে।এরপর এদিকে হয়রান হয়ে আপাতত আর মারামারি নাই।
এবার পঞ্চগড়ের কথা বলি।এ জেলা একাই নামের দিক দিয়ে লিজেন্ড। একেবারে শহরের পাশেই আছে ধাক্কামারা।উত্তরের সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছে টালমারা ও কোরামারা নদী।তবে সবাইরে ফেইল দিছে বোঁদা উপজেলা।বোঁদার পাশেই আছে মারিয়া গ্রাম। এহেন বোঁদার আঙ্গুলদিয়া গ্রাম কোন মহাভারত মোঘল আমল থেকে নাম পেয়েছে তা বলা মুশকিল।একবার নাকি আঙ্গুলদিয়ায় বজ্রপাতে একজন নিহত হলেন।ইত্তেফাক পত্রিকায় আসলো-বোঁদায় আঙ্গুলদিয়াই একজনের মৃত্যু। কি ভয়ানক! আর এই স্বনামধন্য বোঁদায়ই আছে পুটকি মারি নামক একমাত্র মারি সমৃদ্ধ গ্রাম। এহেন যেই মহিমাম্বিত বোঁদা তার সাংসদ একবার সংসদে ফ্লোর পেয়ে বললো-মাননীয় স্পীকার,আমাদের বোঁদায় পানি নাই।আপনার মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই,আমাদের বোঁদায় কবে নাগাদ পানি আসবে?স্পীকার বললেন-মাননীয় সাংসদ,আপনার ভাষা সংযত করুন।এটা জাতীয় সংসদ।সাংসদ বললেন-মাননীয় স্পীকার,এই বোঁদা সেই বোঁদা না।এটা পঞ্চগড়ের বোঁদা।স্পীকার বললেন-আপনি এমন করলে মাইক বন্ধ করে দেবো।
এবার সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হয়ে চান্দাইকোনা যাওয়ার আগে এক গ্রামের নাম সোনাখাড়া,খুলনায়ও একটা সোনাপোতা আছে।স্বাভাবিক খাড়া থাকলে পোতাও থাকবে। নোয়াখালীতে আছে সোনাইমুড়ি। তেমনি ১৪ গ্রামে আছে প্রচুর কড়া,যেমনঃ-ফাল্গুনকড়া,আলকরা,বশকরা,মশকরা আরো বহুত।কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলাগুলোতে আছে প্রচুর ছড়া আর ছড়ির বন্যা।হিমছড়ি,রুমালিয়ার ছড়া,মানিক ছড়ি ইত্যাদি।
আজ এটুকুই। গ্রাম নিয়ে আরেকটা লেখা দিবো। আরেকদিন মানুষ নিয়ে।

সম্রাট আকবর ও মুসলমানী প্রসঙ্গ।

ইতিহাসের এইদিনে এই ভ্যালেন্টাইন ডে তে ১৪ ফেব্রুয়ারী,১৫৫৬ খ্রীঃ সম্রাট আকবর ১৪ বছর বয়সে দিল্লীর সিংহাসনে আসীন হন। ভ্যালেন্টাইন ডে তে সম্র...