মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

একটি নিরীহ লেপের ভেতরের গল্প!

একটা লোক(ধরেন,একটা অত্যাচারী সরকার) শীতের রাতে লেপের ভেতর ক্রমাগত পেঁদে যাচ্ছে।লেপের অন্যান্য বাসিন্দাদের(ধরেন,নিরীহ জনগন) প্রান ওষ্ঠাগত হয়ে যাচ্ছে,কিন্তু শীতের জ্বালায় তারা বেরোতে পারছে না।তাই তারা মুখে সাহস করে বলতে অপারগ হয়ে হাবেভাবে বুঝাচ্ছে,ভাইরে,একটু রয়েসয়ে দিন ,এতো ঘন ঘন কেনো? তাতে হিতে বিপরীত হলো। এবার সে একপাশ হয়ে শুয়ে ছাড়া শুরু করলো,আগেই ভালো ছিলো ,চিত হয়ে ছাড়তে ছিলো।

এবার লেপের নিরীহ বাসিন্দারা হাল্কা গলা খাকড়ানি দিয়ে বললো, ভাই, একটু দয়া করেন। বাখরাবাদ গ্যাসের লোকটি ঈষৎ বিরক্ত হয়ে বললো, এগুলা কি,একটু কি ঘুমাতেও পারবো না। আর পাদের গন্ধে পৃথিবীর কোথাও কেউ মরে যায়নি।চুপ থাকুন।আর এতোবেশী খারাপ লাগলে লেপের তলা থেকে বের হয়ে যান।যত্তোসব ! এটা বলেই শরীরে ঘুড়ির নাটাইয়ে যেভাবে সুতা বেড়ানো হয় সেভাবে শরীর মুড়িয়ে বাকি অনেকটা লেপ নিজের গায়ে জড়িয়ে নেয়। লেপের বাসিন্দারা সকালের অপেক্ষায় আছে।উফ! সুর্য যে এতো উপকারী লেপের তলায় না আসলে কখনোই বোঝা যেতো না।

- একটি নিরীহ ছোট গল্প।বাস্তবের কিছুর সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ি নয়।

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫

দুটি জাপানি হাগুমুতু হাইকু।

একবার এক লোকের খুব হাগা ধরছে।আশেপাশে কোন বাথরুমের নিশানা না পেয়ে সে যখন আল্লাহকে ডাকতে ডাকতে গলা শুকিয়ে ফেলছে, ইত্যবসরে গুয়ের হালকা লেঞ্জাও বেরিয়ে প্রায় যাচ্ছে।সেসময় সে আর কোন উপায় না দেখে পাশের পুকুরে একেবারে ঝপাং করে ঝাপিয়ে পড়ে ডুবিয়ে ডুবিয়ে মান-ইজ্জত রক্ষা করে ফেলছে।আর কর্মকান্ড সেরে পুকুর ঘাটে উঠে উতসুক জনতাকে জানালো, ছোটবেলা থেকেই পুকুর আমার রক্তে ,আজকে চোখের সামনে পুকুর দেখে আর থাকতে পারলাম না।
আরেকবার আরেক লোক বৃষ্টির মধ্যে অপেক্ষমান থাকা অবস্থায় তীব্র মুতু চাপে।মুত্রত্যাগ থামাতে না পেরে সেও দৌড়ে বৃষ্টিতে ভেজা শুরু করে এবং মান-ইজ্জত রক্ষা করে বৃষ্টির সাথে একাত্মবোধ ঘোষনা করে।সবাইকে এসে জানায়,বৃষ্টি ছোটবেলা থেকে আমার রক্তে।আজ চোখের সামনে বৃষ্টি দেখে আর ধরে রাখতে পারলাম না।ছেড়েই দিলাম।
- দুটি জাপানি হাগুমুতু হাইকু,কারো ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মিলে গেলে কবি দায়ী নয়।মানে কোনমতেই দায় নেবে না। হাগামুতা কবির দুই চক্ষের বিষ।

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

একটি ফাও টপিক।

শুচিবায়ু ব্যাপারটা একটা রোগের মতো।আপনারা সবাই সম্ভবত এটার ব্যাপারে জানেন।এরা পরিচ্ছন্নতার সকল ব্যাপারে খুবই এলার্ট,বলতে গেলে অনেকটা বিরক্তিকর পর্যায়ে সেটাকে নিয়ে যায়।প্রচুর পানি ব্যবহার করে,ছোয়াছুয়ির ব্যাপারে সেন্সিটিভ আর প্রায় অনেক সময়ে অদ্ভুত সব বাঁতিকগ্রস্ত প্রশ্ন করে।

তেমনি এক রোগী একবার এমনি এক প্রশ্ন তুলে চিকিতসকদের কাছে।তার ওপেন হার্ট সার্জারি হবে,সে অপারেশন থিয়েটারে যাবার আগে ডাক্তারদের জিজ্ঞেস করে,সমস্ত ব্যাপারতায় কতো সময় নিবে?ডাক্তাররা জানায়,৩ ঘন্টার বেশী নিতে পারে।রোগী বলে তাহলে তো ঝামেলার ব্যাপার আছে?ডাক্তাররা বলেন।সেটা কিরকম?রোগী বলেন,আমার অপারেশনে ব্যবহৃত সব অস্ত্র-পাতি নিশ্চয় স্টেরিলাইজ করা আছে,সেটা ঠিক আছে।কিন্তু এই ৩ঘন্টা আপনারা নিশ্চয় পর্দন(বায়ু-ত্যাগ) চেপে থাকবেন না।আর আপনারা এই ৪-৫ জনের ক্রমাগত পর্দনে স্টেরিলাইজ অস্ত্র-পাতি জীবানু কন্টামিনেশনে আক্রান্ত হবে।ডাক্তাররা ভিতরে ভিতরে খুবই বিরক্ত হয়ে একজন আরেকজনকে ইশারা দিলেন দ্রুত অজ্ঞান করে কাজ শুরু করা যাক।এই রোগী আর ৫মিনিট কথা বললে একে পিটিয়ে মেরে ফেলার ইচ্ছা জাগতে পারে।

পড়ে কিন্তু সত্যি এক গবেষনায় এটা নিয়ে জানা যায়,পর্দনের ফলে নির্গত গ্যাসের সাথে কিছু নির্দোষ ব্যাকটিরিয়া থাকে,এটা ক্ষতিকর নয়।দইয়ের ব্যাকটিরিয়ার মতো।

মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ঘুড়ি ও মাঞ্জা সুতো।

ঘুড়ির সুতায় মাঞ্জা দেয়ার ব্যাপারটা অন্যজেলায় কি নামে আছে জানি না?তবে আমাদের চট্টগ্রামে এটাকে মাঞ্জা দেয়াই বলে।একটা পাত্রে সাগু,ভাতের মাড়ের সাথে সিদ্ধ করে তাতে কাঁচগুড়ো(যা আগেই বালির মতো মিহি করে চূর্ন করা হয়েছে)দিয়ে মিক্স করে সেই গলিত মিশ্রনের ভেতর দিয়ে সুতাকে এনামেল করা হয়।যা শুকোলে সত্যিই বেশ ধারালো।নাটাই থেকে এটা যখন বাতাসের টানে সরসর করে যেতে থাকে তখন অসাবধানে কেউ হাত দিলে হাত কেটে যেতে পারে।

আবার কারো ঘুড়ি ভো-কাট্টা(বহোডই-চট্টগ্রামের ভাষায়) হয়ে গেলে যখন এটি নেবার জন্য ছেলেপিলেদের মধ্যে টানাটানি হয় তখনও হাত কেটে যায়।মাঞ্জা সুতায় হাত কেটে গেলে বেশ হাত জ্বলে বা ব্যথা করে।আবার অনেক নেশাড়ু ঘুড়ি উড়িয়ে থাকে,তারা তাদের স্পেশাল মাঞ্জা দেয়ার ফর্মুলা কোকাকোলা ফর্মুলার মতো গোপন রাখে।তেমনি এক ঘুড়িবাজ ছিলো আমাদের বাল্যকালে এমু নামে এক লোক।সে এমনই মারাত্বক প্লেয়ার ছিলো যে,সে ঘুড়ি উড়ানো মাত্রই আকাশে ত্রাহি ত্রাহি রব পড়ে যেতো।সবাই তার প্রিয় ঘুড়ি নামিয়ে নিতো।যেনো কবুতরের পালে চিল হামলা দিলো বলে।আসলে ঘুড়ি ৫-৬টা কিনলে ১-২ টা ভালো পড়ে।তাই শান্তিতে ওগুলো ঊড়াবার সময় এমুর উৎপাত সত্যিই অসহ্য ছিলো।

এমু এক ঘন্টা ঘুড়ি উড়োলেই বিরক্ত হয়ে ঘুড়ি নামিয়ে ফেলতো।কারন যেগুলো উড়তো সেগুলোকে সে অলরেডি কেটে দিয়েছে বা অন্যরা অপেক্ষায় থাকতো এমু ছাঁদ থেকে বিদায় নিলে আবার উড়াবে।

আমাদের মাঝে গুজব ছিলো এমু মাঞ্জা দেয়ার সময় সাবুর কাঁচের গলিত দ্রবনে কুত্তার গু,চিলের রক্ত আর অর্জুনের ছালের রস দেয়।তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সেও কোকাকোলা কোম্পানির মালিকের মতো রহস্যময় হাসি দিতো।তাতেই আমাদের ধারনা আরো পোক্ত হয়ে যেতো।সে তার নাটাই আর ঘুড়ি কখনো ঘরে নিতো না।ছাদেই একটা নিরাপদ জায়গায় রেখে যেতো।আর কেউ এ জিনিস চুরিও করতো না,কিংবা তার সুতো হাতে ধরার দূঃসাহস দেখাতো না।কারন কুত্তার গু আর চিলের রক্ত।তার মাঞ্জা সুতার রঙ ছিলো অদ্ভুত ধরনের হালকা গোলাপি।হালকা গোলাপি রংটা কি জন্য আর বোঁটকা গন্ধ কি জন্য,আমরা তো তা জানতামই।

আমাদের ছফা হুজুর ও নুহ নবীর কিস্তি।

আমাদের এখানে এক হুজুর ছিলেন,নুর ছফা তার নাম।অত্যান্ত ভালো মানুষ ছিলেন উনি।এখন অন্যকোন মসজিদে চলে গিয়েছেন।আমার দেখা উনিই একমাত্র হুজুর যিনি ডেস্টিনি২০০০ করতেন।প্রায় তিনি বিভিন্ন লোককে ডেস্টিনির দাওয়াত দিতেন।আসলে উনি অনেক কম বেতন পেতেন,যার জন্য উনি এটাকে পার্ট-টাইম হিসেবে নিয়েছিলেন।আমরা হয়তো অনেকেই জানি না,আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবেরা অত্যান্ত কম বেতন পান।যার দ্বারা কখনোই সন্মানজনকভাবে বাঁচা সম্ভব না।

তাই উনারা টিউশনী করেন।কিন্তু উনি ডেস্টিনি করাতে এলাকার মসজিদ কমিটির লোকেরা উনাকে চাকুরীচ্যুত করেন।যে কারনে উনার কথা আমার মনে আসলো সেটা বলি,নুর ছফা হুজুর উনার কথাবার্তা বা খুতবার মধ্যে মাঝে মাঝে বেশ সুন্দর মানানসই ইংরেজী বলতেন,শুনতে ভালো লাগতো।

একবার উনি নুহ নবীর কিস্তির কাহিনী বললেন।উনি জানালেন,নুহ নবী এটা বানানোর পর সবাই হাসাহাসি করতো।এট দ্যাট টাইম কতিপয় দুস্টলোক তাতে পায়খানা করা স্টার্ট করলো।তো সার্টেন একটা পিরিয়ডে নৌকা মল-মুত্রে পরিপূর্ন হয়ে গেলো।ইন দ্য মিন টাইম এক বুড়ি চিন্তা করলো,সবাই যখন করলো আমি আর বাদ কেনো যাই।সেই বুড়ি মলত্যাগ করতে গিয়ে পা স্লিপ করে একেবারে সেই মল-মুত্রের মধ্যে পড়লো।

আজকে আওয়ামি লিগের নুহ নবীর কিস্তির কথা শুনে আমার এইসব কথা মনে পড়লো।

তুঘলকি কান্ডের সেই বাদশাহ তুঘলক।

দিল্লীর বাদশাহ মুহম্মদ বিন তুঘলক বিখ্যাত ছিলেন তার পাগলামী ও উন্মুক্ততার জন্য।ছিলেন খামখেয়ালি ও অত্যাচারী শাসক।তার পাগলামীর জন্যই বাংলা ভাষায় তুঘলকি কারবার কথাটি এসেছে।তিনি একবার হঠাত করে ঠিক করলেন,রাজধানী নিরাপদ জায়গা দিল্লী থেকে মধ্য প্রদেশের দেবগিরিতে পাহাড়ের মাঝে নিয়ে যাবেন,সবাই আপত্তি জানালো।এবং হাতে হাতে ফলও পেলো।অতঃপর দেবগিরিতে গিয়ে তার নাম দিলেন দৌলাতাবাদ।এটি এখন ভারতের ঔরঙ্গাবাদের কাছে।

মাত্র ৬ মাস থেকে তার মন উঠে গেলো।তিনি আবার দিল্লী যাবার প্লান নিলেন আর মত প্রকাশ করলেন- একমাত্র জংলী লোক ছাড়া কোন লোক এখানে থাকতে পারে না।সবাই একবাক্যে রাজি হলো।ঐ রাতেই অর্ধেক নগরী সুর্য উঠার আগে রওয়ানা দিয়ে দেয়।অথচ এটি নির্মান করতে গিয়ে উনি রাজকোষ খালি করে রাষ্ট্রে দূর্ভিক্ষ এনেছেন।তুঘলক বাদশা ভাবলো,যাবোই যখন তখন এতোদিন ধরে যে পার্বত্য ডাকাতটা জীবন অতিস্ট করেছিলো তার একটা হেস্তনেস্ত করেই যাই।অতএব ডাকাতের পিছু নিলেন।ঐ ডাকাত রাজস্থানের মরুভূমির দিকে পালিয়ে গিয়ে ডুব মারলো।সবাই মাস ছয় ঐ ডাকাতের পিছে ঘুরে স্বাস্থ্য তিনভাগের দুইভাগ হারিয়ে সিন্ধু নদের দিকে পেরিয়ে আবার পুবমুখী হয়ে দিল্লীর পথ ধরলো।

এদিকে সিন্ধুনদে পাওয়া গেলো এক তেল চকচকা ভিগু মাছ(আমাদের ইলিশের জাত ভাই)।এটি দেখেই তুঘলকের মাথা খারাপ হয়ে গেলো,সে এটি এখনই খাবে।রাজকীয় কবিরাজ নিষেধ করলো,উনি জানালেন সবাই মরুভূমিতে পায়চারী করার সময় যে স্বাস্থ্য হারিয়েছে,তাতে এখন চোখের ক্ষুধায় এটি খেলে নির্ঘাত প্রান হারাবে।অতপর তারা খেলো এবং প্রানটা খোয়ালো।বাদশাও গেলো।

আরেকবার তুঘলক বাদশা সকালে উঠে দূর্গের বারান্দায় এসে শুনলো,পুরো শহর কান্নাকাটি করছে।উনি জিজ্ঞেস করলেন কি ব্যাপার?প্রহরীরা জানালো,হুজুর শহরে গুজব রটেছে,আপনি মারা গেছেন?তিনি হুকুম দিলেন,যারা গুজবে কান দেয়,তাদের নির্বিচারে হত্যা করা হোক।আদেশ পালিত হলো।অগনিত নগরবাসী নিহত হলেন।

তো এহেন বাদশা যখন অবশেষে মারা গেলেন এবং তার খবর এসে দিল্লীতে পৌছলো।তখন শহরের অবস্থা শোচনীয়,আগের রাতে রওয়ানা দেয়া সেইসব লোকেরা এসে তাদের দখলদারীত্ব বুঝে নিচ্ছিলো আর অভিশাপ দিচ্ছিলো তুঘলককে।আর যারা দখলদারিত্ব হারাচ্ছিলো,তারাও অভিশাপ দিচ্ছিলো তুঘলককে।এই দুই গ্রুপের অভিশাপের সাথে যুক্ত হচ্ছিলো,ঐ গুজব শুনে কান্নাকাটি করা নিহত লোকদের আত্নীয়দের অভিশাপ।সাথে বিপুল ক্ষুদ্ধ জনগন।

ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দীন বরনী ঘটনাকে এভাবে বলেছেন,অতঃপর অত্যাচারী তুঘলক বাদশা মরিয়া ক্ষুদ্ধ জনগন হতে রেহাই পেলেন আর ক্ষুদ্ধ জনগন রেহাই পেলেন অত্যাচারী পাগল তুঘলক বাদশা থেকে।

উনি বলেছেন,উনি রাজনীতি করবেন।

আমি এক লোকেরে চিনি,যিনি দারুন পশু-পাখি প্রেমিক।উনি পশু-পাখির কস্ট কোনক্রমেই সহ্য করতে পারেন না।উনার প্রিয় খাদ্য হলো সকালে ছাগলের পায়া দিয়ে নান।আবার গরুর নলাও উনার খুব প্রিয়।অনেকবার গরুর নলার ভিতর থেকে নরম মজ্জা বের করতে গিয়ে ঝাঁকানির সময় উনার চিনা মাটির প্লেট ভেঙ্গে গিয়েছে।এছাড়া মুরগীর রান থেকে উনি মাংশ অদ্ভুত দক্ষতায় ফুলের মতো করে খুলে খেয়ে ফেলেন।আর হাড্ডিটা চুষে চিবিয়ে মজ্জা বের করেন।

কিন্তু অদ্ভুত!উনার সামনে কোন পশু-পাখিকে নির্যাতন উনি সহ্য করেন না।উনার একটা কাঠ বা গাছ চেড়াবার টিম্বার আছে।সেটার নাম এভারগ্রীন টিম্বার।উনি সামনে নাকি রাজনীতি করবেন।আমাকে জানিয়েছে।

সম্রাট আকবর ও মুসলমানী প্রসঙ্গ।

ইতিহাসের এইদিনে এই ভ্যালেন্টাইন ডে তে ১৪ ফেব্রুয়ারী,১৫৫৬ খ্রীঃ সম্রাট আকবর ১৪ বছর বয়সে দিল্লীর সিংহাসনে আসীন হন। ভ্যালেন্টাইন ডে তে সম্র...